JAGRIK EXPERIENCE - COVID-19

NAME – SHARMISTHA   KAR

Orgnazation :- Bhabna association for people’s upliftment

 

 

COVID-19 রোগটি চীনে  উৎপত্তি   হলেও  চীনের সাথে সাথে সারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এর প্রকোপ দেখা গিয়েছে ।

2020  সালে এইরকম উন্নত সময়ে এসেও ইতালি, আমেরিকার,ফ্রান্সে, মতো উন্নত দেশেও সঠিক চিকিৎসা ও ওষুধের অভাবে প্রচুর মানুষ মারা যাচ্ছে । এই রোগটা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর রোগ এই রোগে আক্রান্ত রোগীরা সংস্পর্শে যদি কোনো সুস্থ মানুষ আসে তবে সেই মানুষটিও এই রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে । এই রোগকে আটকানোর জন্য সকল ডাক্তার ও মন্ত্রীরা মনে করেছেন অনেক মানুষ এক জায়গায় থাকলে এই রোগ বেশী ছড়াতে পারে তাই তাদের মত অনুযায়ী সকলকে বাড়ির মধ্যে থাকার নির্দেশ দিয়েছে কারো সাথে বেশি মেলামেশা করা যাবে না । এই উন্নত পৃথিবীতে আমরা সবাই ব্যস্ত কেউ বাড়িতে বসে থাকে না এখন নিজেদের প্রাণের ভয়ে সেই বাড়িতেই বসে প্রায় সকল সমাজে মানুষ ছোট থেকে বড় সকল মানুষের উপর এই রোগ প্রভাব পড়েছে শিশু থেকে বার্ধক্য সমাজের মানুষের ওপর প্রভাব দেখা যাচ্ছে । ছোটরা যেমন স্কুলে যাচ্ছে না বাইরে গিয়ে বন্ধুবান্ধব সাথে ইচ্ছামত খেলাধুলা করতে পারছে না  তেমনি আমাদের মত যুবসমাজের ছেলেমেয়েরাও কলেজে প্রাইভেটে যেতে পারছে না পড়াশোনা প্রায় বন্ধ ছোটদের মতো তারাও বাড়িতে বসে বসে বেশি ইন্টারনেট জগতে সময় কাটাচ্ছেন আর পাশাপাশিনাচ গান আঁকা   নিজের পেশায় সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে  । বাড়ির বাবা-কাকারা কাজে যেতে পারছেনা ছোটদের সাথে সাথে যুবসমাজের ছেলেমেয়েদের ও পড়াশোনার ক্ষতি বেশি হচ্ছে এই রকম মহামারীর ফলে পৃথিবীর সকল দেশের কর্মক্ষেত্রে বা অবস্থা যারা চাকরির জন্য পড়াশোনা করছে তারা আগামী 5 বছর চাকরি পাবে কিনা সেই নিয়ে চিন্তায় আছে এর ফলে যুবসমাজ একদম পিছিয়ে পড়েছে  । এছাড়া যেসব পরিবারের যুবক ছেলে মেয়েরা অর্থের অভাবে পড়াশোনা না করতে পেরে সংসারের দায়িত্ব নিয়েছে  এই সময় তাদের জীবন খুব সংকট জনিত যারা একদিন কাজ না করলে পরিবারের মানুষগুলো কি খাবে সেই চিন্তা করে তাদের অবস্থা খুবই ভয়াবহ আমরা সবাই ইতিহাসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর পড়েছি কিন্তু 2020 সালে উন্নত পৃথিবীতেও যে এরকম একটা ভয়াবহ অবস্থা হতে পারে সেটা একদম ভাবা যায়না । এরকম ভয়াবহ অবস্থা হওয়া সত্ত্বেও আমাদের সমাজে অনেক মানুষ আছে যারা এই একভাবে বাড়িl ভেতরে থাকা মানতে পারছে না ,সন্ধ্যেবেলায় অনেক বয়স্করা মিলে চায়ের দোকানে আড্ডা দিতে আসে আর পুলিশের গাড়ি দেখলে চলে যাচ্ছে কিছুক্ষন পর আবার ভিড় করে আসছে কিছু কিছু মানুষকে একদম বোঝানো সম্ভব হয়ে উঠছে না  । এখনো এমন ব্যবহার দেখাচ্ছে মনে হচ্ছে তারা খুব চিন্তিত  কিন্তু তাদের একত্রিত হওয়াতে রোগ ছড়াবে সেটা তারা আর ভাবছে না  আমাদের দোকানের সামনে এরকম ভিড় হলে আমরা তাদের বারণ করি একসাথে এভাবে থাকতে  ।  যতটা পারছি নিজের সাথে সাথে পরিবার ও পরিবেশকে সুস্থ রাখার চেষ্টা করছি ।